কলেজ পরিচিতি

মধুপুর কলেজটি মধুপুর উপজেলার একমাত্র ডিগ্রী কলেজ। তিমুখী রাজপথের সঙ্গমস্থলে শাল গজারির বনের ধারে বংশাই নদীর তীর ঘেঁসে কলেজটি অবস্থিত। মনোরম পরিবেশে উচ্চ শিক্ষার ধারক ও বাহক হিসেবে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হয়ে আছে এ প্রতিষ্ঠানটি। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১৯৮৬ সালে কৃষি বিজ্ঞান শাখায় সম্মিলিত মেধা তালিকায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা’র ৬ষ্ট ও ৮ম স্থান অধিকার করেছিল। ২০০৭ সালের ডিগ্রী (পাস ) পরীক্ষায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত মেধা তালিকায় বি.এস.এস. শাখায় ১৯তম মেধা স্থান ও বি.এস-সি শাখায় ১৫তম স্থান অধিকার করেছিল। ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এবং সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে ১৯৯৭-৯৮ইং শিক্ষা বর্ষ থেকে অনার্স কোর্স চালু আছে।

মধুপুর কলেজটি মধুপুর উপজেলার একমাত্র ডিগ্রী কলেজ। তিমুখী রাজপথের সঙ্গমস্থলে শাল গজারির বনের ধারে বংশাই নদীর তীর ঘেঁসে কলেজটি অবস্থিত। মনোরম পরিবেশে উচ্চ শিক্ষার ধারক ও বাহক হিসেবে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হয়ে আছে এ প্রতিষ্ঠানটি। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১৯৮৬ সালে কৃষি বিজ্ঞান শাখায় সম্মিলিত মেধা তালিকায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা’র ৬ষ্ট ও ৮ম স্থান অধিকার করেছিল। ২০০৭ সালের ডিগ্রী (পাস ) পরীক্ষায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত মেধা তালিকায় বি.এস.এস. শাখায় ১৯তম মেধা স্থান ও বি.এস-সি শাখায় ১৫তম স্থান অধিকার করেছিল। ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এবং সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে ১৯৯৭-৯৮ইং শিক্ষা বর্ষ থেকে অনার্স কোর্স চালু আছে। ১৯৯৭-৯৮ইং শিক্ষা বর্ষ থেকে অধ্যাবধি অনার্স পরীক্ষার (ফাইনাল) ফলাফল ইর্ষনীয়। এছাড়া প্রতি বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলে গড় পাশের হাড় ৭৫% এর উপর এবং প্রতি বছরই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পেয়ে থাকে। বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কলেজটিতে একটি অত্যাধুনিক কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে।

মধুপুর একটি প্রাচীন জনপদ। টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও জামালপুর জেলা সদর থেকে সম ৫০ কি.মি. দূরত্বে ত্রিমুখী রাজপথের সংযোগ স্থলে অবস্থিত। গারো আদিবাসীসহ নানা জাতির বাস এ মধুপুরে। ঐতিহাসিক মধুপুর গড়, সুসাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্রের আনন্দমঠ, রাজা ভগদত্তের বাড়ী প্রমুখ মধুপুরের ঐতিহ্যকে লালন করেছে। কিন্তু অত্র এলাকার মানুষ দীর্ঘ দিন উচ্চ শিক্ষা থেকে পিছিয়ে থাকে। মধুপুর এলাকায় কোন কলেজ না থাকায় অনেকের পক্ষেই শহরে কিংবা দূরবর্তী স্থানে গিয়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হয় নি।

দরিদ্র ও সাধারণ মানুষের ছেলে মেয়েরা যাতে উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করতে পারে সে লক্ষে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, রাজনিিতক ও সমাজকর্মী এবং মধুপুর রাণী ভবানী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহেন্দ্র লাল বর্মন মধুপুরে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। ১৯৭২ সালে তিনি মধুপুর কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রাথমিক পর্যায়ে মধুপুর রাণী ভবানী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কলেজটির প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়।পরবর্তীতে নিজস্ব জায়গায় কলেজটি স্থানান্তরিত হয়। স্থানীয় জনগণ, প্রশাসন তাঁর এ মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানায় এবং কলেজ প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। তৎকালীন আওয়ামীলীগ নেতা মরহুম আঃ মান্নান, হাতেম আলী তালুকদার, ডাঃ শেখ নিজামুল ইসলাম এমপি মধুপুর কলেজ প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদান রাখেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ আলহাজ্ব খন্দকার নূরুল হক, আজাহার আলী (চঝঈ সদস্য), আঃ রাজ্জাক লাল মিয়া, ময়েজ উদ্দিন সরকার, আফতাব উদ্দিন আহমেদ, বাবু সুধীর রঞ্জন গুহ নিয়োগী কলেজ প্রতিষ্ঠায় সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।

১৯৭৪ সালে মহেন্দ্র লাল বর্মন আততায়ীর গুলিতে নিহত হন তখন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাধারণ জনগন, কলেজের শিক্ষকমন্ডলী কলেজের হাল ধরেন। প্রথম অধ্যক্ষ নূরুল ইসলাম ও পরবর্তী অধ্যক্ষ মোঃ হেকমত আলী কলেজটিকে এগিয়ে নিতে কঠোর পরিশ্রম করেন। পরবর্তীতে স্থানীয় জনগণের সাথে সরকারী কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ছাত্র নেতৃবৃন্দ ও কলেজের প্রথম ব্যাচের ছাত্রছাত্রীবৃন্দ কলেজ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

১৯৭৪ সালে মধুপুর কলেজ উচ্চ মাধ্যমিক, ১৯৮৪ সালে স্নাতক (পাস) ও ১৯৯৮ সালে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীর স্বীকৃতি লাভ করে। কলেজটিতে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা, স্নাতক (পাস) পর্যায়ে কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা ও স্নাতক (অনার্স) পর্যায়ে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এবং সমাজবিজ্ঞান বিষয় চালু আছে। বর্তমানে আরও একাধিক বিষয়ে অনার্স ও মাষ্টার্স কোর্স চালুর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে।

অধ্যক্ষ মহোদয়

মধুপুর কলেজটি মধুপুর উপজেলার একমাত্র ডিগ্রী কলেজ। তিমুখী রাজপথের সঙ্গমস্থলে শাল গজারির বনের ধারে বংশাই নদীর তীর ঘেঁসে কলেজটি অবস্থিত। মনোরম পরিবেশে উচ্চ শিক্ষার ধারক ও বাহক হিসেবে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হয়ে আছে এ প্রতিষ্ঠানটি। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১৯৮৬ সালে কৃষি বিজ্ঞান শাখায় সম্মিলিত মেধা তালিকায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা’র ৬ষ্ট ও ৮ম স্থান অধিকার করেছিল। ২০০৭ সালের ডিগ্রী (পাস ) পরীক্ষায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত মেধা তালিকায় বি.এস.এস. শাখায় ১৯তম মেধা স্থান ও বি.এস-সি শাখায় ১৫তম স্থান অধিকার করেছিল। ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এবং সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে ১৯৯৭-৯৮ইং শিক্ষা বর্ষ থেকে অনার্স কোর্স চালু আছে। মধুপুর কলেজটি মধুপুর উপজেলার একমাত্র ডিগ্রী কলেজ। তিমুখী রাজপথের সঙ্গমস্থলে শাল গজারির বনের ধারে বংশাই নদীর তীর ঘেঁসে কলেজটি অবস্থিত। মনোরম পরিবেশে উচ্চ শিক্ষার ধারক ও বাহক হিসেবে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হয়ে আছে এ প্রতিষ্ঠানটি। তিমুখী রাজপথের সঙ্গমস্থলে শাল গজারির বনের ধারে বংশাই নদীর তীর ঘেঁসে কলেজটি অবস্থিত। মনোরম পরিবেশে উচ্চ শিক্ষার ধারক ও বাহক হিসেবে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হয়ে আছে এ প্রতিষ্ঠানটি।

Under development